Ads by tnews247.com
বিভিন্ন দেশে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস

বিভিন্ন দেশে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস

Fri February 14, 2014     

আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস।পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দিনটি বিভিন্ন ভাবে পালিত হয়ে থাকে। 'সায়া সিন টামো', 'আই লাভ ইউ', 'ইস লিবে ডিস' বা 'আমি তোমাকে ভালোবাসি' বলার ধরনও নানা বৈচিত্র্যে ভরপুর।কিন্তু সবার উদ্দেশ্য এক্তাই নিজের মনের মানুষের কাছে তার মনের ভাব প্রকাশ করা।আমরা বাঙ্গালিরা আমাদের নিজেদের মত করে দিনটিকে সাজিয়ে নেই।কেউ বা ঘুরতে বের হন,কেউ ধুরে কথাও ঘুরতে যান,কেউ আবার বাসায় থাকতেই পছন্দ করেন।চলুন আজকে জেনে নেই আমাদের দেশের বাইরের মানুষ কিভাবে এই দিনটিকে পালন করে। red_valentine_roses-wide - Copy অস্ট্রেলিয়াঃঅস্ট্রেলিয়ায় অনেকটা একই ধাঁচে উপহারের আদান-প্রদান হয়। তবে এখানে এসএমএস, ইমেইল মিডিয়া ব্যাপক ব্যবহৃত হয়ে থাকে। জরিপে দেখা গেছে, অস্ট্রেলিয়ার ছেলেরা ভালোবাসার ক্ষেত্রে মেয়েদের চেয়ে অনেক বেশি উদার। এদিন উপলক্ষেও ছেলেরা মেয়েদের তুলনায় অনেক বেশি উপহার কেনে। ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সের তরুণ-তরুণীর প্রায় ৯০ ভাগেরও বেশি এবং ৫০-এরও বেশি বয়সীদের প্রায় ৪৫ ভাগের ভ্যালেন্টাইন উদযাপনের প্রস্তুতি চোখে পড়ার মতো। অস্ট্রেলিয়ানরা এই দিনকে দেখে থাকে পরিবার, বন্ধুবর্গ, সহকর্মী এবং পাড়া-প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও বেশি মজবুত করার দিন হিসেবে। কানাডাঃ কানাডায় ভালোবাসার বিশেষ দিনটি বেশ উৎসাহের সঙ্গে পালিত হয়। সারা দেশে বল ড্যান্স এবং পার্টি থাকে। এদিন স্বামী-স্ত্রীকে; স্ত্রী-স্বামীকে; প্রিয়জন-প্রিয়জনকে জানায় ভালোবাসার কথা। গোলাপের প্রাধান্য এখানে বেশি। এরপর চকোলেট, কার্ড, ক্যান্ডি তো আছেই। শিশুরা বন্ধুদের সঙ্গে কার্ড বিনিময় করে। নিজের হাতে উপহার বানিয়ে শিক্ষক এবং বাবা-মাকে দেয়। দিনটিকে উদযাপন করতে স্কুলের সিনিয়র সেকশনে থাকে ড্যান্স পার্টি। চীনঃচীনে ভালোবাসা প্রকাশের সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। ভ্যালেন্টাইন ডে পালনের আগে তারা বছরের দুই দিন পালন করত ভালোবাসা দিবস। এখন তো চীনে ব্যাপকহারে দিবসটি পালিত হয়। পশ্চিমা ধাঁচে ১৪ ফেব্রুয়ারিই তারা ভালোবাসা দিবস পালন করে। জাপানঃ মেয়েরা ভ্যালেন্টাইন ডেতে চকোলেট উপহার দিতে ভীষণ আগ্রহী থাকে। জাপানে দুই ধরনের চকোলেট রয়েছে। 'গিরি-চকো' কেনা হয় বন্ধু, বস, কলিগ এবং ঘনিষ্ঠ ছেলেবন্ধুর জন্য। এ ধরনের চকোলেটের সঙ্গে কোনো রোমান্টিক সম্পৃক্ততা নেই। 'হন মেই' চকোলেট হলো স্পেশাল। এই চকোলেট এঙ্চেঞ্জ হয় স্বামী-স্ত্রী, প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে। জাপানি মেয়েরা মনে করে, 'হন মেই' কিনে উপহার দিলে ভালোবাসা প্রকাশ পায় না। তাই তারা নিজের হাতে 'হন মেই' তৈরি করে প্রিয়জনকে উপহার দেয়। জরিপে দেখা যায়, পুরো বছরে যত চকোলেট বিক্রি হয়, তার অর্ধেক হয় ভ্যালেন্টাইন ডেতে। জাপানে ১৪ মার্চ পালিত হয় আরেক ভালোবাসা দিবস 'হোয়াইট ডে'।১৪ ফেব্রুয়ারি যারা তাদের উপহার দিয়েছিল, তাদের পাল্টা উপহার দেওয়ার পালা এবার। এদিন সাদা রঙের চকোলেট দেওয়া হয়ে থাকে। দুটো দিবসে সাধারণত ২০ বছরের কম বয়সীদের উৎসাহ থাকে বেশি। ভারতঃ এদিন আবেগের আদান-প্রদান করতে প্রেমিকরা মূলত ভিড় জমায় রেস্টুরেন্ট, ডিসকো, সিনেপ্লেঙ্, পাব অথবা পিৎজা পার্লারে। শুধু প্রেমিক নয় বাবা-মা, ভাইবোন, বন্ধুদেরও ভালোবাসা জানায়। দক্ষিণ আফ্রিকাঃ সাধারণত রোমান্টিক ডেটে যায় কাপলরা, মনের কথা জানায় বিশেষ দিনটিতে। এ ছাড়াও কোনো কোনো জায়গায় পালিত হয় 'লিউপারক্যালিয়া' নামে রোমান ফেস্টিভ্যাল। এখানে যার যার পোশাকে তাদের প্রেমিক-প্রেমিকার নাম প্রিন্ট করা থাকে। এ ছাড়াও আয়োজন থাকে পাব ও রেস্টুরেন্টে। আমেরিকাঃ ১৯ শতাব্দীতে ব্রিটিশ অধিবাসী প্রথম উত্তর আমেরিকায় ভ্যালেন্টাইন ডের ধারণা নিয়ে আসে। ১৮৪৭ সালের দিকে ভ্যালেন্টাইন ডে ছড়িয়ে যায় পুরো আমেরিকায়। বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে গিফট কার্ড আদান-প্রদানের রীতি এলো। সে সময় কার্ড এবং গোলাপ ছিল ভ্যালেন্টাইনসের মূল উপহার। ১৯৮০ সালের দিকে ডায়মন্ড কোম্পানিগুলো ভ্যালেন্টাইন ডে প্রমোট করা শুরু করে। সেই থেকে জুয়েলারি চলে আসে প্রচলিত গিফটের তালিকায়। 'ভালোবাসা' সবচেয়ে আদিম ইমোশন হলেও ভালোবাসা দিবসটিকে আমেরিকায় চরম কমার্শিয়ালাইজড করা হয়েছে। জরিপে দেখা গেছে, ভালোবাসা দিবসে সবচেয়ে বেশি কার্ড ও উপহার বিক্রি হচ্ছে। এ দিনকে ঘিরে ব্যবসায়ীরা তাই নানা আয়োজন করেন। মূল লক্ষ্য ক্রেতা। এদিন মূলত কার্ড, চকোলেট, ফুল বিনিময় হয়। দেশটিতে নানা জায়গায় ভ্যালেন্টাইন ডিনার, ড্যান্স পার্টির ব্যবস্থা থাকে। অনেকে বাসায় প্রাইভেট পার্টি থ্রো করে। শিশুরাও থাকে অনেক ব্যস্ত। স্কুলগুলোতে আয়োজিত হয় গান, নাচ ও নাটক। জরিপে দেখা গেছে, চার মার্কিনির মধ্যে তিনজনই দিবসটি পালন করে। আমেরিকায় এ দিনে ১৬ কোটি কার্ড, ১৩ কোটি গোলাপ বিনিময় হয়। ব্রিটেনঃ ভালোবাসা দিবস ভ্যালেন্টাইন ডে মিথ-এর জন্ম এই ব্রিটেনে চতুর্দশ এবং পঞ্চদশ শতাব্দীতে। তাই ব্রিটেনের উল্লাস একটু বেশিই থাকার কথা। বলা হয়ে থাকে, ভ্যালেন্টাইন ডেতে ব্রিটেন এবং ইতালির অবিবাহিত মেয়েরা সূর্যোদয়ের আগে ঘুম থেকে উঠত। তারা বিশ্বাস করত, সূর্যোদয়ের পর প্রথম যে পুরুষকে তারা দেখবে, সে অথবা তার মতোই কোনো পুরুষ এক বছরের মধ্যে তাদের জীবনসঙ্গী হবে। এ ছাড়া অবিবাহিত মেয়েরা কাগজে পছন্দের ছেলের নাম লিখত। সেই কাগজ মাটির বলে পেঁচিয়ে পানিতে ফেলত। যে নামের কাগজ সবার আগে ভেসে উঠত, ধারণা করা হতো তার সঙ্গেই বিয়ে হবে মেয়েটির। ফ্রান্সঃ ব্রিটেনের মতো ফ্রান্সের সঙ্গেও জড়িয়ে আছে ভ্যালেন্টাইন ডের জন্মকথা। তাই এখানেও উৎসাহ থাকে অনেক। ভালোবাসা দিবসে কার্ড উপহারের প্রথা শুরু হয়েছে ফ্রান্স থেকে। চার্লস নামের এক ব্যক্তি প্রথম ভ্যালেন্টাইন কার্ড লেখেন। অভিজাত কার্ডে উপহার রীতি রয়েছে এখানে। দক্ষিণ আফ্রিকাঃ সাধারণত দক্ষিণ আফ্রিকাতে এই বিশেষ দিনটিতে রোমান্টিক ডেটিংয়ে যায় দম্পতিরা। একে অন্যকে মনের কথা জানায় তারা। এ ছাড়াও কোনো কোনো জায়গায় পালিত হয় ‘লিউপারক্যালিয়া’ নামে রোমান ফেস্টিভ্যাল। এখানে যার যার পোশাকে তাদের প্রেমিক-প্রেমিকার নাম প্রিন্ট করা থাকে। এ ছাড়াও আয়োজন থাকে পাব ও রেস্টুরেন্টে। ড্যান্স পার্টি তো আছেই। তবে বিলাসবহুল রিসোর্টগুলোতে প্রতি বছরই থাকে চমক। তাই বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে রোমান্টিক জুটিরা এখানে আসেন দিনটি উপভোগ করতে। নানা দেশে নানা রকমের উৎসব হলেও এই দিনে সব উৎসবের মুল উদ্দেশ্য এক।ভালোবাসা প্রকাশ করা প্রিয় মানুষের জন্য।আপনার প্রিয় মানুষটিকে মনের কথা বলে আপনার দিনটিকেও করে তুলুন স্মরণীয়।আপনাদের সবার জন্য রইল শুভ কামনা।





Facebook এ আমরা

আরও খবর


আরশোলার বসবাস নারীর কানে এমন নারী খুজে পাওয়া কঠিন যে কিনা আরশোলা ভয় পায় না। কিন্তু সেই আরশোলার বসবাস যখন নারীর কানে ......

 

৯ টি উপায়ে কমতে পারে বাসে নারী হয়রানী আজকাল বেড়েই চলেছে বাসে নারী হয়রানী। এই ৯ টি উপায় কমিয়ে দিতে পারে বাসের এই নারী হয়রানী......

 

মেয়েটি আপনাকে পছন্দ করে কিনা জেনে নিন ৫ টি উপায়ে ভালোবেসে ফেলেছেন! কিন্তু আগ বাড়িয়ে বলার সাহস পাচ্ছেন না। আবার মেয়েটির আপনার প্রতি কোন দুর্বলতা আছে কিনা সেটাও বুঝ

 

ইরানি নারীরা বুধবার কেন সাদা পোশাক পরে? ইরানের নারীরা বুধবার সাদা রঙের পোশাক কিংবা স্কার্ফ পরছেন। সাদা পোশাক ছাড়াও সাদা কাপড়ের টুকরো প্রদর্শন করতে দেখা যাচ্ছে তাদের। সেই ছবি তারা পোষ্ট করছেন সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে। কিন্তু কেন

 

ছবি এঁকে ধর্ষণের প্রমাণ দিলো ১০ বছরের বালিকা ভারতে ১০ বছর বয়সের বালিকার উপর অনবরত যৌন নির্যাতন চালায় তার আপন কাকা আখতার আহমেদ। তবে ঘটনার যথার্থ প্রমান না থাকায় কোন মামলা দায়ের করা যাচ্ছিল না। অবশেষে বালিকার হাতে আঁকা ছবিই প্রমাণ দিল এই ঘটনাটি

 

‘আমার অনেক স্বপ্ন, যা পূরণ করতে চাই’ লন্ডনের গ্রেনফেল টাওয়ারের চারপাশ আগুন দাউদাউ করে জ্বলছে, ভেতরে আটকা পড়েছে অনেক মানুষ, তাদের মধ্যে এক শিশু তার খাতার পাতায় আঁকিবুকি করে লিখে গেছে, ‘আমার অনেক স্বপ্ন আছে যা আমি পূরণ করতে চাই। আ

 

অন্যান্য

আরশোলার বসবাস নারীর কানে

৯ টি উপায়ে কমতে পারে বাসে নারী হয়রানী

মেয়েটি আপনাকে পছন্দ করে কিনা জেনে নিন ৫ টি উপায়ে

ইরানি নারীরা বুধবার কেন সাদা পোশাক পরে?

ছবি এঁকে ধর্ষণের প্রমাণ দিলো ১০ বছরের বালিকা

‘আমার অনেক স্বপ্ন, যা পূরণ করতে চাই’

ছোট পাত্রের সঙ্গে বিয়ে করে খুশি হয়েছেন ৯৭ শতাংশ নারী

বড় ভাইকে ঠেলে সরিয়ে ছোট ভাই নিজেই বিয়ে করে নিলেন কনেকে

আমাকে নই, মাকে প্রেম ও বিয়ের প্রস্তাব দেয় : এনা

হিন্দু হয়ে মুসলিম যুবককে বিয়ে

অর্ধলক্ষাধিক টাকা চিবিয়ে খেল ছাগল!

বিয়ের বয়স ২০ দিন,ডিভোর্স পেতে লেগে গেল ১৯ বছর

পুরুষ যখন গর্ভবতী

জন্ম নিয়েই হাঁটতে শুরু করল শিশু!

ফ্যানের সুইজ বন্ধ করায় তালাক

চার মাসের শিশুর পেট থেকে শিশুর জন্ম

কিভাবে বুঝবেন আপনার বাড়িতে ভুত আছে ?

জেনেনিন কোন মরিচ খেলে মৃত্যু অনিবার্য

হাসপাতালে হেঁটে বেড়াচ্ছেন মৃত ব্যক্তি!

ট্রাম্পকে অপহরণ, উদ্ধারে ১১ হাজার রুপি পুরস্কার ঘোষণা!


৩৮ গরিব এ-নেওয়াজ এভিনিউ, উত্তরা, ঢাকা ১২৩০. ইমেইল: info@tnews247.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত tnews247.com ২০১৪
Hosted & Developed by N. I. Biz Soft